What's happening?

অনিল বাগচীর একদিন – হুমায়ূন আহমেদ

অনিল বাগচীর একদিন – হুমায়ূন আহমেদ

Your rating: 0
5.5 2 votes

বিবরণ

অনিল বাগচীর একদিন গ্রন্থটি হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা জনপ্রিয় বই।   আপনারা খুব সহজেই “অনিল বাগচীর একদিন” বইটি পড়ে ফেলতে পারবেন যে কোনো মুহূর্তে আরেফিন লাইব্রেরিতে এবং আরেফিন ইবুকস এর মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন সহজেই। আপনার পছন্দের যে কোনো বই খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আরেফিন ইবুকস। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে এবং বইটি প্রকাশ করে শিখা প্রকাশনী।

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ অনিল বাগচীর একদিন
  • লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
  • প্রকাশিতঃ ফেব্রুরারী ১৯৯২ 
  • প্রকাশকঃ শিখা প্রকাশন
  • ভাষাঃ বাংলা (Bangla/Bengali)
  • পাতা সংখ্যাঃ ৮০ টি
  • বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস
  • ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)

সংক্ষিপ্ত রিভিউ

অনিল বাগচীর একদিন উপন্যাসের পটভূমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ের। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অনিল বাগচী ২৪ বছরের টগবগে যুবক। ঢাকার একটি ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করেন। হিন্দু ধর্মালম্বীর অনিল বাগচী ভীতু ধরনের যুবক। সামান্য ঘটনাতেও সে ভয়পায়। যেমন- একা থাকা অবস্থায় হঠাৎ দরজায় টোকা পরলে, কিংবা তার মেসের প্রতিবেশী গফুর সাহেবের কণ্ঠস্বর শুনলে। পিতা সুরেশ বাগচী একজন স্কুলশিক্ষক। একমাত্র কন্যা অতসীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি রূপেশ্বরে থাকেন। সুরেশ বাগচী তার ছেলেকে সবসময় একজন সৎ, সাহসী, আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রূপেশ্বর স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনিলকে চিঠি দেয়। চিঠিটি অনিলের মেস প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত গফুর সাহেবের কাছে পৌঁছালে তিনি চিঠিটি পড়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন যে চিঠিটা অনিলকে দিবেন কি না। কারন অনিল ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছে। অনিল চিঠি পড়ে জানতে পারে পাক মিলিটারিরা তার বাবাকে হত্যা করেছে। ভীতু অনিল সেই মুহূর্তেই মৃত্যুভয়কে পরোয়া না করে পিতার সৎকার এবং একমাত্র বোনকে বাচাতে গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণা অনিলকে সাহসী যুবকে পরিনত করে। তার ভেতরে দেশাত্মবোধ জাগ্রত হয়।

একমাত্র চিঠিটি বুকপকেটে নিয়ে অনিল রূপেশ্বরের বাসে চাপে।বাসে অনিলের সাথে মাওলানা আয়ুব আলীর পরিচয় হয়। আয়ুব আলীর সাথে অনিলের সাময়িক সখ্যতা গড়ে ওঠে। যাত্রাপথে পাকমিলিটারি বাহিনী চেকপোস্টে বাস থামায়। মাওলানা আয়ুব আলী অনিলের ধর্মীয় পরিচয় সম্পর্কে অবগত হলে তিনি অনিলকে পাক মিলিটারিদের সামনে মুহসিন নামে পরিচয় দিতে বলেন। একদিকে প্রিয়জন হারানোর বেদনা, বাবার স্মৃতি, আদরের বোনকে বাচানোর আকুতি। আর অন্যদিকে বিশ্বাসঘাতক, নৃশংস, বর্বর – নির্যাতিত পাকবাহিনীর দেয়াল। অনিল বাগচীর শেষ পরিনতি কী হয়েছিলো? জানতে হলে পড়ুন “অনিল বাগচীর একদিন” ।

এডমিন বার্তা : আপনি আরেফিন ইবুকস (Arefin eBooks) এ পাবেন সকল জনপ্রিয় দেশি বিদেশী লেখকদের বাংলা পিডিএফ (Bangla PDF) বই, খুব সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা অনলাইনে পড়তে পারবেন। আপনার পছন্দের বইটি আরেফিন ইবুকস (Arefin eBooks) এ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলেও আমাদের জানান, আমরা আপনার পরামর্শকে শ্রদ্ধাভরে মূল্যায়ন করি।

Director

Director

Cast

সম্পর্কিত বই

লিলুয়া বাতাস – হুমায়ূন আহমেদ
অনন্ত নক্ষত্র বীথি – হুমায়ূন আহমেদ
সৌরভ – হুমায়ূন আহমেদ
শ্যামল ছায়া – হুমায়ূন আহমেদ
নূরজাহান – ইমদাদুল হক মিলন
লীলাবতীর মৃত্যু – হুমায়ূন আহমেদ
বাদশাই নামদার – হুমায়ূন আহমেদ
রূপালী দ্বীপ – হুমায়ূন আহমেদ
রুপা – হুমায়ূন আহমেদ
অনীশ – রহস্য উপন্যাস – হুমায়ূন আহমেদ
অপেক্ষা – হুমায়ূন আহমেদ
হুমায়ূন আহমেদের হাতে পাঁচটি নীল পদ্ম – হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published