What's happening?

মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য – হুমায়ূন আহমেদ

মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য – হুমায়ূন আহমেদ

Your rating: 0
0 0 votes

বিবরণ

মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য – হুমায়ূন আহমেদ

মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য PDFমিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য গ্রন্থটি হুমায়ূন আহমেদ এর লিখিত একটি বাংলা উপন্যাস বিষয়ক জনপ্রিয় বই। আপনি আরেফিন ইবুকস (Arefin eBooks) এর মাধ্যমে মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য PDF বইটি সহজেই পড়তে ও ডাউনলোড করে সংগ্রহে রাখতে পারবেন। এই গ্রন্থ ছাড়াও আপনার প্রিয় যেকোনো বইয়ের পিডিএফ পেতে আরেফিন ইবুকস ভিজিট করুন। বইটি ভালো লাগলে কমেন্টে আপনার মতামত জানাতে এবং বন্ধুদের বইটি শেয়ার করতে ভূলবেন না।

বইয়ের বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য
  • লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
  • বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস
  • বইয়ের সাইজঃ Standard (২০ এমবির কম) মেগাবাইট
  • ভাষাঃ বাংলা (Bangla/Bengali)
  • ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)

মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইয়ের রিভিউ

মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটি পড়ে থাকলে আপনার রিভিউ কমেন্টের মাধ্যমে পাঠকদের জানান, একে অপরকে বই পড়তে ও রিভিউ দিতে উৎসাহিত করুন।

নিচের লিংক থেকে Standard (২০ এমবির কম) মেগাবাইটের মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটি ডাউনলোড করে কিংবা অনলাইনে যেকোন সময় হুমায়ূন আহমেদ এর এই জনপ্রিয় উপন্যাস বইটি পড়ে নিতে পারবেন।

এফ.এ.কিউ (যে প্রশ্নগুলো প্রায়শই উঠে আসে)

  • মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটির লেখক কে?
    মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটির লেখক হুমায়ূন আহমেদ।
  • মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য কি ধরনের বই?
    মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটি একটি উপন্যাস জাতীয় বই।
  • মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটি কোন ভাষাই রচিত?
    মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটি হুমায়ূন আহমেদ কর্তৃক বাংলা ভাষায় রচিত একটি গ্রন্থ।
  • এটা কি মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটির PDF?
    হ্যাঁ, এটি মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটির PDF।
  • আরেফিন ইবুক’স থেকে কি মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য বইটি ডাউনলোড করতে পারবো?
    হ্যাঁ, আরেফিন ইবুক’স থেকে আপনি মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য PDF আকারে ডাউনলোড করে অফলাইনে পড়তে পারবেন।

হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত।

ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।

১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীও তার সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত, তার রচিত প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তোমাদের জন্য ভালোবাসা। তার টেলিভিশন নাটকসমূহ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সংখ্যায় বেশি না হলেও তার রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার রচিত অন্যতম উপন্যাসসমূহ হলো মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া, লীলাবতী, কবি, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

তার নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। ১৯৯৪-এ তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক আগুনের পরশমণি মুক্তি লাভ করে। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)। শ্যামল ছায়া ও ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র দুটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এছাড়া ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। বিস্তারিত জানুন

বই হোক জীবনের নিত্যসাথী

মানব সভ্যতার সূচনা থেকে মানুষের বই পাঠের তথ্য পাওয়া যায়। বই পড়ার অভ্যাস মানুষের নীরবে কিংবা সরবে হলেও কালের পরিক্রমায় মানুষ তথ্য জানার জন্য বারবার কিছু পড়ার প্রতি মনোনিবেশ করেছে। বই পড়া মানুষের এমন একটি দক্ষতা, যার কারণে মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি সাধন হয়। পাঠ অভ্যাস থেকে বিরত থাকা একটি অনেক বড় ধরনের অদক্ষতার পরিচায়ক।

অনেক সমাজ ও রাষ্ট্রে দেখা যায়, পাঠ কিংবা বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য তাদের তেমন কোনো কর্মসূচি নেই। তারা বিষয়টিকে অনেকটা ঐচ্ছিক মনে করেন। কিন্তু ইসলাম ধর্ম এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। পবিত্র ধর্ম ইসলামও মানুষকে পাঠের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছে। এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে বলা হয়েছে, ‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা সমান হতে পারে না।’

বই পড়া মানসিক প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখে। বই পড়লে মস্তিষ্ক চিন্তা করার খোরাক পায়, সৃজনশীলতা বাড়ে এবং তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতা সৃষ্টি হয়। বই পড়লে মানুষ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক মনস্ক হয়ে ওঠে। মানব জীবনে বইয়ের গুরুত্বের কথা স্মরণ করে টলস্টয় বলেছেন, ‘জীবনে মাত্র তিনটি জিনিসের প্রয়োজন বই, বই এবং বই। ’

জ্ঞানার্জনের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে বই। জীবনকে সফলতার আলোয় আলোকিত করার প্রধান উপায় হচ্ছে বই। বই পড়েই জ্ঞানার্জন করতে হবে। পৃথিবীতে যারা বড় হয়েছেন, জগদ্বিখ্যাত সফল মানুষ হয়েছেন, তারাই বেশি বেশি জ্ঞান অন্বেষণে সময় দিয়েছেন। পৃথিবীর যে কোনো বরেণ্য মনীষীদের জীবন ইতিহাস ঘাঁটলে এ কথার সত্যতা ধরা পড়ে। বই হচ্ছে শেখবার, জানবার ও জ্ঞানার্জনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। দেশ ও জাতি গঠনে বইয়ের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। আর সহজ উপায়ে মানুষের মধ্যে শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো ছড়াতে সমাজের জন্য বই অপরিহার্য। বইয়ের বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না।

একজন মানুষ যে পেশায়ই দক্ষ হোক না কেন তার পেশাদারিত্বে উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বারবার বইয়ের কাছে ফিরে আসতে হয়। কারণ জ্ঞানের সূচনা সেখান থেকে এবং সে জ্ঞানকে সামগ্রিকভাবে কাজে লাগানোর দক্ষতা মানুষ বই পড়ে পেয়ে থাকে। মানুষের মননশীল, চিন্তাশীল, সৃষ্টিশীল চিন্তার যাবতীয় সূচনার বিস্ফোরণ একমাত্র বইয়ের মাধ্যমে হতে পারে। আর সেই বইয়ের বিপুল যোগান দিতে বইমেলার কোনো বিকল্প নেই। আজ থেকে শুরু হওয়া বইমেলা চলকে পুরো একমাস। মনকাড়া প্রচ্ছদ, রুচিশীল উপস্থাপনা আর বিষয় বৈচিত্র্যে অনন্য হয় প্রতিবারের বইমেলা। প্রত্যাশা করি এবারের বইমেলা তার ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রেখে দেশব্যাপী জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ অব্যাহত রাখুক। সফল ও স্বার্থক হোক এবারের বইমেলা। বই হোক মানুষের নিত্যসাথী। [সংগৃহীত]

বই নিয়ে কিছু উক্তি

বইয়ের মত এত বিশ্বস্ত বন্ধু আর নেই।আর্নেস্ট হেমিংওয়ের
ভাল বন্ধু, ভাল বই এবং একটি শান্ত বিবেক: এটি আদর্শ জীবন।মার্ক টোয়েন
ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর মহৎ লোকের সাথে আলাপ করা।দেকার্ত
বই ছাড়া একটি কক্ষ আত্মা ছাড়া দেহের মত।মার্কাস টুলিয়াস সিসারো
অন্তত ষাট হাজার বই সঙ্গে না থাকলে জীবন অচল।নেপোলিয়ান

এডমিন বার্তা : আপনি আরেফিন ইবুকস (Arefin eBooks) এ পাবেন সকল জনপ্রিয় দেশি বিদেশী লেখকদের বাংলা পিডিএফ (Bangla PDF) বই, খুব সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা অনলাইনে পড়তে পারবেন। আপনার পছন্দের বইটি আরেফিন ইবুকস (Arefin eBooks) এ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলেও আমাদের জানান, আমরা আপনার পরামর্শকে শ্রদ্ধাভরে মূল্যায়ন করি।

Director

Director

Cast

সম্পর্কিত বই

অনন্ত নক্ষত্র বীথি – হুমায়ূন আহমেদ
আয়নাঘর – হুমায়ূন আহমেদ
বলপয়েন্ট – হুমায়ূন আহমেদ
লিলুয়া বাতাস – হুমায়ূন আহমেদ
লীলাবতী – হুমায়ূন আহমেদ
তোমাদের এই নগরে – হুমায়ূন আহমেদ
বাঘবন্দি মিসির আলি – হুমায়ূন আহমেদ
পশ্চিম সমুদ্রতীরে PDF – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
রূপটান PDF – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
সাজঘর – হুমায়ূন আহমেদ
বিপদ – হুমায়ূন আহমেদ
অপরাহ্ন – হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published